বিবাহে বিচ্ছেদ হয়, কিন্তু ভালোবাসার বিচ্ছেদ নেই

0
25

বিয়ের ঠিক এক বছর নয় মাসের মাথায় ভেঙে গেল অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া ও হারুন অর রশীদ অপু সংসার। ২৭ নভেম্বর বিচ্ছেদ পত্রে সই করেছেন তারা।

এর পেছনের কারণটাও জানিয়েছেন শবনম ফারিয়া। শনিবার সন্ধ্যায় নিজের ফেসবুকে ফারিয়া লেখেন, মানুষের জীবন নদীর মতো। কখনো জোয়ার, কখনো ভাটা। কখনো বৃষ্টিতে পানি বেড়ে যায়, শীতকালে পানি শুকিয়ে যায়। আমাদের জীবনেও এমনটা হয়! আমাদের জীবনে কিছু মানুষ আসে; কেউ কেউ স্থায়ী হয়, কেউ কেউ কিছু কারণে স্থায়িত্ব ধরে রাখতে পারে না।

তিনি বলেন, আমার মা সব সময় একটা কথা বলে, আল্লাহর হুকুম ছাড়া একটা গাছের পাতাও নড়ে না, আমরা শুধু চেষ্টা করতে পারি!’ ঠিক সেভাবেই আমি আর অপু অনেকদিন ধরেই চেষ্টা করেছি একসাথে থাকতে! কিন্তু বিষয়টা একটা পর্যায়ে খুব কঠিন হয়ে যায়! ‘মানুষ কি বলবে’ ভেবে নিজেদের উপর একটু বেশিই টর্চার করে ফেলছিলাম আমরা! ‘জীবনটা অনেক ছোট, এতো কষ্ট নিয়ে বেঁচে থাকার কি দরকার’? এইটা ভেবে আমরা এ বছরের শুরু থেকেই সিদ্ধান্তে আসি আমরা আর একসাথে থেকে কষ্টে থাকতে চাই না!

আড়াই বছরের বৈবাহিক সম্পর্কের ইতি টানার প্রসঙ্গে ফারিয়া বলেন, তাও বছর খানেক সময় নিয়েছি পরষ্পরকে বুঝতে! ফাইনালি ‘আল্লাহ্ যা করেন ভালোর জন্যেই করেন’ ভেবে আমরা আমাদের প্রায় আড়াই বছরের বৈবাহিক জীবনের অবসান ঘটিয়ে আবারও ৫ বছরের পুরানো বন্ধুত্বে ফিরে গিয়েছি। বিবাহে বিচ্ছেদ হয়, কিন্তু ভালোবাসার বিচ্ছেদ নেই! বন্ধুত্বের বিচ্ছেদ নেই! যতদিন বেঁচে আছি আমাদের ভালবাসা ও বন্ধুত্ব থাকবে।

দেবী খ্যাত এই অভিনেত্রী আরো বলেন, শুধুমাত্র বৈবাহিক বন্ধন থেকে আমাদের সম্পর্কের ইতি টেনে নিলাম! এ ঘটনা আমাদের জীবনের গতি হয়তো রোধ করবে, ছন্দপতন করবে কিন্তু জীবন তো থেমে থাকবে না! অপুর জন্যে আমার অনেক অনেক দোয়া, ভালোবাসা আর শুভ কামনা। আমরা যে সুখের জন্যে আলাদা হলাম আমরা যেন সে সুখ খুঁজে পাই। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালে ফেসবুকের মাধ্যমে ফারিয়া-অপুর পরিচয় হয়। এরপর প্রেম, পরিচয়ের তিন বছর বন্ধুত্বের সীমানা পেরিয়ে প্রেমকে পূর্ণতা দিতে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে আংটিবদল এবং গত বছরের ১ ফেব্রুয়ারি জমকালো আয়োজনের মাধ্যমে বিয়ে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here