কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আইয়ুব বাচ্চুকে শেষ শ্রদ্ধা

0
23

বাংলাদেশের ব্যান্ড সংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী আইয়ুব বাচ্চুর প্রতি কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয়েছে। আজ শুক্রবার সকাল সাড়ে ১০টার সময় তার মরদেহ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে আনা হয়। দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত শ্রদ্ধা জানানো শেষে আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহ হয়েছে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে।

সেখানে বাদ জুমা তার প্রথম জানাজা হবে। পরে আইয়ুব বাচ্চুর মরদেহ নিয়ে যাওয়া হবে মগবাজারে তার নিজের স্টুডিও এবি কিচেনে। আইয়ুব বাচ্চুর দ্বিতীয় জানাজাহবে চ্যানেল আই প্রাঙ্গণে। দ্বিতীয় জানাজা শেষে এই শিল্পীর মরদেহ ফের হিমঘরে রাখা হবে।

অস্ট্রেলিয়া ও কানাডা থেকে আইয়ুব বাচ্চুর মেয়ে ফাইরুজ সাফরা আইয়ুব ও ছেলে আহনাফ তাজোয়ার আইয়ুব দেশের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন। তারা এলে চট্টগ্রামে শনিবার মায়ের কবরের পাশে চিরনিদ্রায় শায়িত হবেন আইয়ুব বাচ্চু।

গতকাল বৃহস্পতিবার মাত্র ৫৬ বছর বয়সে আইয়ুব বাচ্চু মারা যান। তার আকস্মিক মৃত্যুতে সারা দেশে শোকের ছায়া নেমে আসে।

বাংলাদেশের ব্যান্ড সঙ্গীত জগতে আইয়ুব বাচ্চুর অবদান অসামান্য । গানের পাশাপাশি গিটারেও ভক্তদের মাত করেছেন তিনি। আইয়ুব বাচ্চুর গাওয়া ‘কষ্ট পেতে ভালোবাসি’, ‘সেই তুমি কেন অচেনা হলে’, ‘একদিন ঘুম ভাঙ্গা শহরে’, ‘মেয়ে ও মেয়ে’, ‘কবিতা সুখ ওড়াও’, ‘এক আকাশ তারা’ গানগুলো ঘুরেছে মানুষের মুখে মুখে।

১৯৭৮ সালে সঙ্গীতজীবন শুরু করেন আইয়ুব বাচ্চু। আইয়ুব বাচ্চু একাধারে গায়ক, লিড গিটারিস্ট, গীতিকার, সুরকার, প্লেব্যাক শিল্পী ও সঙ্গীত পরিচালক ছিলেন।

সোলসের হয়ে ব্যান্ড সঙ্গীতে পা রাখার পর ১৯৯০ সালে নিজের ব্যান্ড দল প্রতিষ্ঠা করেন আইয়ুব বাচ্চু। ব্যান্ডের নাম রাখেন ‘লিটল রিভার ব্যান্ড’। পরবর্তীতে এর নাম বদলে রাখা হয় ‘লাভ রান্‌স ব্লাইন্ড’। ওই বছরই এলআরবি ডাবল অ্যালবাম দিয়ে তাদের যাত্রা শুরু করে। ১৯৯৫ সালে বাচ্চু তার তৃতীয় একক অ্যালবাম ‘কষ্ট’ বের করেন। বাংলাদেশের সর্বকালের সেরা একক অ্যালবামগুলোর মধ্যে একটি এটি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here