সময়ের আলোচিত ফোক শিল্পী রুকসার

rusksarf

রুকসার মাহবুব-বর্তমান সময়ের অন্যতম আলোচিত ফোক সঙ্গীত শিল্পী। গেল ঈদে প্রযোজনা সংস্থা সঙ্গীতার ব্যানারে তার গাওয়া ফোক গান ”ফুল গাছটি”র মিউজিক ভিডিও রিলিজ হয়েছিল। গানটির সংগীত পরিচালক ছিলেন সূচি শামস। সিলেটের বিভিন্ন লোকেশনে শুটিং হওয়া এই গানটির মিউজিক ভিডিও দর্শকদের কাছে বেশ সমাদৃত হয়েছে। নিজের এই গানটি সম্পর্কে রুকসার বললেন,”এটি আমার গাওয়া গানগুলোর মধ্যে  সেরা একটি গান। এই গানে দেশের সংস্কৃতি মিশে আছে। এটি মূলত সাঁওতালী ধাঁচের একটি ফোক গান। শ্রোতা-দর্শকরা গানটির মিউজিক ভিডিও প্রকাশ হবার পর যে সাড়া দিয়েছেন তাতে আমি মুগ্ধ এবং তাদের প্রতি আমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি।” উল্লেখ্য,খুলনার মেয়ে রুকসারের গানের শুরু ছোট বেলা থেকেই। মা-বার অনুপ্রেরণায় তার গানের হাতেখড়ি হয় খুলনা বেতারের ওস্তাদ পান্না লালের কাছে। পরবর্তীতে ঢাকায় ছায়ানটের ওস্তাদ লাভলুর কাছেও গানের তালিম নেন তিনি। বিটিভির তালিকাভূক্ত শিল্পী রুকসার মাহবুব বিটিভি ছাড়াও মাইটিভি, এনটিভি, চ্যানেল আইসহ বিভিন্ন টিভিতে লাইভ গান করছেন নিয়মিত। এছাড়া দেশের বাইরেও নিয়মিতভাবে স্টেজ শো করেছেন তিনি। খুব শীগ্রই ইউরোপ ও আমেরিকায় কনসার্টে অংশগ্রহণ করতে যাচ্ছেন তিনি। এ পযর্ন্ত রুকসারের ৩টি অ্যালবাম বের হয়েছে। তার প্রথম একক অ্যালবাম ”ভালবাসার বাতি” ২০০৭ সালে রিলিজ হয়। এই অ্যালবামের সুরকার ও গীতিকার ছিলেন- আহমেদ রিজভী, রাজেশ, প্রদীপ সাহা, মাহমুদ জুয়েল,আজাদ মিন্টু ও সামসউদ্দিন হীরা। তার দ্বিতীয় অ্যালবাম ”ভূল মানুষ ভালোবেসেছ” (দ্বৈত),তৃতীয় অ্যালবাম ”ডিজিটাল প্রেমিক”। অ্যালবাম প্রসঙ্গে রুকসার বললেন,”কনসার্টের ব্যস্ততায় নিয়মিত অ্যালবামের কাজ করতে পারিনি। কারণ আমি গুছিয়ে কাজ করার মানুষ। তাছাড়া আমি মনে করি,আমার গানের একটা ধারা তৈরি হয়েছে। যা একান্তই আমার মতোই। তাই আমার অ্যালবামের গানগুলোও তৈরি করেছিলাম শ্রোতাদের প্রত্যাশার কথা মাথায় রেখে। আর আমার এই গানগুলোতে নতুনত্ব ও বৈচিত্র খুঁজে পাওয়া যাবে। আসলে দেশের মানুষ মাটির গান শুনতে বেশি ভালোবাসে। তাই আজীবন সবার দোয়া নিয়ে আমি মাটি ও মানুষের গান গাইতে চাই।” অ্যালবাম ছাড়াও চলচ্চিত্রে প্লেব্যাক, টেলিফিল্ম, নাটকে টাইটেল সং, থিম সং, জিঙ্গেলে কণ্ঠ দিয়েছেন তিনি। ১৯৯৮ সালে শাপলা কুড়ি থেকে লোক সঙ্গীতে পুরস্কার পাওয়া এই শিল্পী এখন পর্যন্ত বাবিসাস, এজেএফবি অ্যাওয়ার্ডসহ পুরস্কার পেয়েছেন বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন থেকে।

Facebooktwittergoogle_pluspinterestlinkedin