মাইগ্রেন সারাবে ইয়োগা

0___image_58682.jpg

জীবনে মাইগ্রেনে ভোগেননি এমন সৌভাগ্যবান কমই আছেন। কমবেশি সবাই জীবনে একটু আধটু মাইগ্রেনে ভোগেন। মাইগ্রেন খুবই অস্বস্তি দায়ক। মাইগ্রেনের ব্যথায় ছটফট করতে করতে আপনার জীবনটাই বৃথা মনে হতে পারে। তবে হতাশ হবার কিছুই নাই। আপনি চাইলেই নিমিষেই আপনার মাইগ্রেন দূর করতে পারবেন। ভাবছেন কিভাবে? বলছি।ইয়োগা মানে মেডিটেশন করে মাইগ্রেনের হাত থেকে রক্ষা পেতে পারেন। কিভাবে মেডিটেশন করে মাইগ্রেনের হাত থেকে রক্ষা পাবেন সেটা জানার আগে আসুন জেনে নেই মাইগ্রেন কি? মাইগ্রেন এক ধরনের মাধাব্যথা। মাইগ্রেনে আক্রান্ত হওয়ার শুরুতেই দুচোখের মাঝে ব্যথা শুরু হয়। কারো কারে মাথার অর্ধেকটা ব্যথা করে। বমি বমি ভাব হয়। মাথার ভিতর অস্বস্তি হয়। তখন আলোর প্রতি সংবেদনশীলতা তৈরি হয়। অন্ধকার ঘরে থাকতে ভালো লাগে। মাইগ্রেনে আক্রান্ত হয়ে কারো কারো দৃষ্টিবিভ্রম তৈরি হয়। আসুন এখন জেনে নেই কি করে মাইগ্রেন তাড়াবেন।অন্যান্য অসুখ বলে কয়ে না আসলেও মাইগ্রেন শুরু হওয়ার আগে বিভিন্ন লক্ষণ দেখা দেয়। এই যেমন মাথাঘোরা, মাথায় উষ্ণতা অনুভব করা, বমি বমি ভাব। যখনি এমটা মনে হবে তখন শক্ত বিছানায় শুয়ে পড়ুন কিংবা চেয়াবে মেরুদন্ড টান টান করে বসুন। বুক ফুলিয়ে দম নিন। মুখ দিয়ে আস্তে আস্তে দম ছাড়ুন। এভাবে কয়েকবার দম নিন, দম ছাড়ুন। কিছুক্ষন এভাবে দমের চর্চ্চা করলে দেখবেন মাথাটা হালকা লাগছে। মাথা থেকে অস্বস্তি দূর হচ্ছে। মেডিটেশনের প্রথম ধাপ প্রাণায়াম। প্রাণায়াম করলে শুধু মাইগ্রেনই দূর হয় না। জীবনে আছে কর্মচাঞ্চল্য। এছাড়া আপনি শুধু দেম নিয়ন্ত্রন ও দমের দিকে মনোযোগ দিয়েও মাইগ্রেন দূর করতে পারেন। মেরুদন্ড সোজা করে চেয়ারে বসুন কিংবা শক্ত বিছানায় শুয়ে পড়ুন। চেয়ারে বসলে দুই পায়ের উপর হাত দুখানি রাখুন। এরপর ধীরে ধীরে নাক দিয়ে দম নিন। নাক দিয়েই দম ছাড়ুন। এভাবে করার পর আপনার মনোযোগ দমের প্রবেশ পথে অথাৎ নাকের ফুটোয় দিন। খেয়াল করুন কিভাবে বাতাস আপনার নাক দিয়ে ঠুকে ফুসফুসে প্রবেশ করছে আবার বের হয়ে আসছে। কিছুক্ষন এভাবে দমের দিকে মনোযোগ দিলে আপনার শরীর ভারী হয়ে আসবে। সেই সঙ্গে দূর হবে মাইগ্রেন।

Facebooktwittergoogle_pluspinterestlinkedin