এবার কক্সবাজারে ইত্যাদি

hanif-12

দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’ এবার ধারণ করা হয়েছে কক্সবাজার সমুদ্রসৈকতে। কক্সবাজারের হিমছড়ির মেরিন ড্রাইভের পাশে সামনে পাহাড় আর পেছনে সমুদ্র, তার মাঝে সৈকতে তৈরি করা ‘ইত্যাদি’র সেট। রাতে কক্সবাজারের প্রাকৃতিক রূপ আর সাগরের ফেনিল জলের ঢেউ দেখানো সম্ভব নয়, তাই ১৩ ডিসেম্বর সেখানে ‘ইত্যাদি’র ধারণ পর্ব শুরু হয় গোধূলি লগ্নে। আমন্ত্রিত দর্শক ছাড়াও কয়েক হাজার দর্শক আশপাশের পাহাড়, গাছ আর রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে উপভোগ করেন অনুষ্ঠান। এবার থাকছে কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যমণ্ডিত, দর্শনীয় আর পর্যটকদের জন্য আকর্ষণীয় স্থানগুলোর ওপর প্রতিবেদন। গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসে স্থান পাওয়া মাগুরার হালিমকে নিয়ে প্রতিবেদন। ১৯৯৫ সালে তাঁকে প্রথম দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করে ‘ইত্যাদি’। ঠাকুরগাঁও জেলার এক নিভৃত পল্লিতে গড়ে তোলা ‘লোকায়ন জীবনবৈচিত্র্য জাদুঘর’ নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। বিদেশি প্রতিবেদনে রয়েছে পবিত্র মদিনা শরিফের একটা ব্যতিক্রমী রাস্তা। ‘ইত্যাদি’তে গান রয়েছে দুটি। গান গেয়েছেন কক্সবাজারের ‘সৈকত শিল্পী’ জাহিদ এবং তাঁর সঙ্গে চট্টগ্রামের সন্তান রবি চৌধুরী। সঙ্গে ইউকিলিলি বাজিয়েছেন ইমরান। সাগর নিয়ে একটি পুরোনো জনপ্রিয় গান ধারণ করা হয় সমুদ্রসৈকতে। গানটির সঙ্গে অভিনয় করেছেন তারিন ও মীর সাব্বির। রয়েছে চট্টগ্রামের শিল্পী মিঠুন চাক্রা ও ইমতিয়াজ আলী জিমির পরিবেশনায় যন্ত্রসংগীত ‘সাগর সংলাপ’। সাগরের ঢেউয়ের সঙ্গে একটি যন্ত্রসংগীতের পরিকল্পনা করা হয় এবার ‘ইত্যাদি’তে। অনুষ্ঠানটির শিল্প নির্দেশনা ও মঞ্চ পরিকল্পনা করেছেন মুকিমুল আনোয়ার। ‘ইত্যাদি’ গ্রন্থনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। বাংলাদেশ টেলিভিশনে অনুষ্ঠানটি প্রচারিত হবে ২৯ ডিসেম্বর রাত আটটার বাংলা সংবাদের পর।

Facebooktwittergoogle_pluspinterestlinkedin